আমবাগানে দেওর বৌদি
অন্ধকারে আমবাগানের অভিশাপ
গ্রামের প্রান্তে পুরনো আমবাগান। রাত নেমেছে, আকাশে চাঁদ নেই, শুধু হাওয়ার হাহাকার। অন্ধকারের ভেতর দাঁড়িয়ে আছেন **বউদি**, চোখে অদ্ভুত এক আলো, মুখে দ্বিধা। ঝোপের আড়াল থেকে বেরিয়ে আসে **দেওর**।
চোখাচোখি হতেই বুকের ভেতর কাঁপন।
বউদি ফিসফিস করেন—
“এভাবে দেখা ঠিক নয়… সর্বনাশ হবে।”
দেওরের ঠোঁটে হালকা হাসি, চোখে আগুন—
“অন্ধকারে কেউ দেখে না, বৌদি।”
---
### নিষিদ্ধ নৈকট্য
দেওরের হাত ধীরে ধীরে শাড়ির ভাঁজ ছুঁয়ে কোমরে এসে থামে।
বউদি শিহরে ওঠেন, ঠোঁট কাঁপে।
“থামো…” বলেন তিনি, অথচ হাত সরিয়ে নেন না।
আঙুলের ছোঁয়া কোমর থেকে নাভির কাছে গিয়ে থামে।
হাওয়া যেন স্তব্ধ হয়ে যায়, পাতার শব্দ মিলিয়ে যায়।
বউদি চোখ বন্ধ করেন, বুকের ভেতর হৃদস্পন্দন জোরে বাজতে থাকে।
তার হাত ধীরে দেওরের কাঁধে এসে পড়ে—
প্রতিরোধ নয়, বরং নীরব টান।
---
### অপরাধবোধের ছায়া
ঠিক তখনই মনে হলো, যেন অদৃশ্য চোখ তাদের দেখছে।
গাছের ডাল কেঁপে উঠল, পাতার ফাঁক দিয়ে রাতের আলো তাদের মুখে পড়ল।
বউদি হঠাৎ সরে গিয়ে মাটিতে বসে পড়লেন।
চোখে জল, কণ্ঠে ফিসফিস—
“আমরা যা করছি, এটা কি পাপ নয়?”
দেওর তার হাত ধরে বলল—
“হোক পাপ, হোক অভিশাপ—তবুও আমি তোমাকে ছাড়া বাঁচব না।”
---
### অন্ধকারের শপথ
বউদি তার চোখে তাকালেন।
ভয়, আকাঙ্ক্ষা, অপরাধবোধ—সব মিলেমিশে এক অদ্ভুত আলো।
তিনি হাত বাড়িয়ে দেওরের মুখ ছুঁলেন।
আমবাগান নীরবে সাক্ষী রইল—
তাদের নিঃশ্বাসে মিশল আমের গন্ধ, শরীরের উষ্ণতা, নিষিদ্ধ ছোঁয়ার শিহরণ।
ভোরের আলো ফুটলে তারা আলাদা পথে হাঁটবে জানত দু’জনেই।
তবুও সেই রাতের অন্ধকারে, কোমর–নাভির স্পর্শে, তারা নিজেদের এমন এক বন্ধনে বেঁধে ফেলল—
যেটা থেকে মুক্তি আর সম্ভব নয়।
---
### অভিশপ্ত প্রেম
দূরে মোরগ ডাকল।
বউদি কেঁপে উঠে বললেন—“এটাই শেষ।”
দেওর মুঠো শক্ত করে ধরে বলল—“না, এটাই শুরু।”
গাছের পাতারা যেন ফিসফিস করে উঠল—
**“যা শুরু হলো আজ রাতে, তার শেষ নেই।”**
এবং সত্যিই, সেই রাতের পর থেকে আমবাগানের অন্ধকার প্রতিবার তাদের ডাকতে লাগল।
স্পর্শের স্মৃতি, নাভির কাছে সেই নিষিদ্ধ শিহরণ,
তাদের জীবনে এক অভিশপ্ত প্রেমের ছায়া হয়ে থেকে গেল—
যা তারা লুকোতে পারল না, ভাঙতেও পারল না।
Comments
Post a Comment